Web Academy

একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে যে সকল প্রজেক্টে বিড করবেন।

আমরা প্রায়শই বিড নিয়ে বা কাজ পাওয়া নিয়ে নানান ঝামেলায় পড়ি।কখনো তাদের কথা বুঝতে সমস্যা হয়, কখনো আমাদের কথা তাদের কে বুঝাতে সমস্যা হয়। কখনো আবার দেখা যায় কাজ পাওয়ার পর রিকুয়ারমেনট মিলছে না কথা মত। ফ্রড ছড়িয়ে আছে পুরো দুনিয়া জুড়েই। ফ্রিল্যাসিং সাইট গুলোতে সরাসরি বায়ারদের সাথে আপনার সাক্ষাত হবেনা। সেই ক্ষেত্রে যেহেতু অদেখা ক্লায়েন্ট এর সাইকোলজি বুঝতে পারাটাও কঠিন একটা কাজ। অনেকে আছে কাজ পাবার জন্য এমন লো বিড অফার করেন, পারলে সেটি ফ্রি বলা যায় । এটি খুব ঠেকায় না পরলে করতে যাবেননা। কারন এতে আপনার উপর বায়ারের মনোভাব অন্য রকম হতে পারে।
তাই নিচে জব বিডিং কৌশল কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হল।
ক) যে কাজটির জন্য বিড করবেন, সেটার বর্ণনা ভালভাবে পড়ে বুঝে নিন। অনেকেই আছেন জব পোস্টিং পুরোপুরি না পড়েই জব এপ্লাই করেন। এটি খুবই খারাপ কারন অনেক বায়ার আছেন, যারা কভার লেটার লেখার সময় বিশেষ কোন ওয়ার্ড বা লাইন, লেটারে কোন অংশে লিখতে বলেন। নতুবা তারা সেই অ্যাপ্লিকেশন অটোমেটিক রিজেক্ট করে। তাই ঠিক মত জব পোস্টিং পুরোপুরি পড়ে এপ্লাই করবেন।
খ)যে কাজে বেশি বিড হয়নি, সেগুলোতে বিড করবেন, কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা প্রচুরবেড়ে যাবে। যদি আপনার প্রোফাইল নতুন হয়, তাহলে আপনার এ নিয়ম ভালভাবে পালনকরতে হবে।
এখন প্রশ্ন কেন যেখানে বিড পড়েনি সেখানে বিড করব? আপনিএকটু নিজেকে দিয়ে ভাবেন। আপনি যখন কোন মার্কেটে যান তখন প্রথম দোকানেমোটামুটি ভাল কোন ড্রেস থাকলে সেটা আপনার কাছে মনে হয় সবচাইতে সেরা ডিজাইন।সেজন্য আপনি কিনে নেন। যদিও ড্রেস কিনে ফেরার পথে হয়ত অন্য আরো ভাল ড্রেস চোখে পড়তে পারে।সেটার জন্য আফসোস ও হতে পারে।
তেমনিকরে আপনি যখন সবার আগে বিড করেন, তখন আপনার প্রোফাইল নতুন হলেও শুধুমাত্রউপরের নিয়মে ভালভাবে প্রোফাইল তৈরি করার কারনে ক্লায়েন্টের কাছে মনে হতেপারে কাজ করানোর জন্য সে সবচাইতে সেরা ব্যক্তিকে খুজে পেয়েছে।এজন্য আপনাকে কাজ দিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু অনেকে বিড করলে সকল প্রোফাইলের সাথেআপনার প্রোফাইল তুলনার করার সুযোগ থাকবে বায়ারের। তখন অন্যের সাথে তুলনাতেআপনার প্রোফাইল ক্লায়েন্টের কাছে পছন্দ নাও হতে পারে।
গ) এক মাসে আপনি সর্বোচ্চ ৬০টি বিড করতে পারবেন। সুতরাং আপনার এ কোটা ভালভাবে বুঝেব্যবহার করবেন।শুধু শুধু বিড করে কোন আপনার কোটা নস্ট করে কোন লাভ নেই।
ঘ) খুব বেশি অনলাইনে থাকার চেষ্টা করুন, যাতে ক্লায়েন্ট আপনাকে কোন কারনে মেসেজ দিলে সেটার উত্তর দিতে দেরি না হয়।
ঙ) বিড করার আগে অবশ্যই ক্লায়েন্টের প্রোফাইল চেক করে নিবেন।
ক্লায়েন্টের প্রোফাইল চেক করার সময় যে যে বিষয় লক্ষ্য করবেন:
– ক্লায়েন্টের পেমেন্ট মেথড ভেরিফাইড কিনা।
– ক্লায়েন্ট এখন পযন্ত কত ঘন্টা কাজ করিয়েছে।
– আপনি যে টাইপ কাজে বিড করছেন, সে টাইপের কাজ ক্লায়েন্ট আগে করায়ে থাকলে সেটা কত রেটে করায়েছে, সেটা খেয়াল করবেন। সে অনুযায়ি বিড করবেন।

Comments

comments

0 Responses on "একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে যে সকল প্রজেক্টে বিড করবেন।"

Copyright © 2015 Web Academy. Sponsored By N.I BIZ SOFT